মেনু নির্বাচন করুন

বয়ড়া ভাটিকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

বয়ড়া ভাটিকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বয়ড়া ইউনিয়নের ভাটি বয়ড়া গ্রামের নাম অনুসারে নামকরণ করা হয়েছে। বর্তমানে পদ্মা নদীর ২য় ভাঙ্গনের পর দাসকান্দি গ্রামে পুন: স্থাপন করা হয়েছে।

ভাটি কান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ভাটি বয়ড়া গ্রামের স্বর্গীয় বাবু বৃন্দাবন মন্ডল এর বাড়ীতে ছনের চৌচালা গৃহে ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে স্থাপন করা হয়েছিল। এখানে গ্রামের শিশু কিশোরদের লেখা পড়া শেখানোর লক্ষ্যে তৎকালীন গ্রামীন সমাজ ব্যবস্থায় জ্ঞানী গুনী ব্যক্তিদের সাহায্য সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসাবে স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় মাত্র ৫/- টাকা বেতনের মাধ্যমে স্বর্গীয় বাবু অক্ষয় কুমার রায় প্রাথমিক বিদ্যলয়ের কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করতেন। সুদীর্ঘ দিন এমন অবস্থায় কেটে যায়। ১৯৪৭ সালের পর পাকিস্থান হিসাবে দেশ স্বাধীন হলে পূর্ব পাকিস্থানের প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলীকে ফ্রি প্রাইমারী স্কুল করা হয়। এই সময় স্বর্গীয় বাবু মথুরা রায় মহাশয়ের বাড়ীর পাশে ৩৩ শতাংশ জমি রায় মহাশয় দান করে ফ্রি প্রাইমারী স্কুল করেছেন। তাদের দানে বিদ্যালয় গৃহটি ছনের ঘরের পরিবর্তে টিনের চৌচালা গৃহ তৈরী করা হয়। এ সময় এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ম্যাট্রিক পাশের পর বাবু দীনেশ চন্দ্র মন্ডল এই বিদ্যালয়ে ৩৬ টাকা বেতনে চাকুরী গ্রহণ করেন এবং পরবর্তী সময়ে তিনি প্রধান শিক্ষক হন। তার সুদক্ষ পরিচালনায় ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বেড়ে যায়। শিক্ষক পদ সৃষ্টি হয়। ৫টি পদের বিদ্যালয়ে পরিণত হয়। বিদ্যালয়টি ১৯৮৫ সালে উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় হিসাবে স্বীকৃতি পায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় কীর্তিনাশা পদ্মা নদীর কড়াল গ্রাসে ১৯৯৬ সালে গ্রাম ও বিদ্যালয় ভেঙ্গে নিয়ে পূর্বের প্রধান শিক্ষক অবসর গ্রহণ করেন। তারপর চরকান্দি গ্রামে ১৯৯৭ সালে মোঃ আওলাদ হোসেন এর দানকৃত ৩৩ শতাংশ জমির ওপর টিনের চৌচালা গৃহ উত্তোলন করা হয়। এবং বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলতে থাকে। কিন্তু ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস ১ বছর যেতে না যেতেই চরকান্দি গ্রাম আবার পদ্মা নদীতে ভেঙ্গে নিয়ে যায়। পরে বিদ্যালয়টি ১৯৯৯ সালে বর্তমান স্থানে পুনঃ স্থাপন করা হয়। এর জমিদাতা হলেন মাজেদ খান ও বাবু জীবন কুমার সরকার।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোঃ তাহেজ উদ্দিন 01739034245 lablumiah85@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
ঊষা রানী সরকার 01729382468 lablumiah85@gmail.com
শুভ্রা রায় 01719057714 lablumiah85@gmail.com
আশরাফুল ইসলাম 01727724832 lablumiah85@gmail.com

প্রাক প্রাথমিক- ১২ জন ১ম শ্রেণী- ০৮ জন ২য় শ্রেণী- ১৬ জন ৩য় শ্রেণী- ০৯ জন ৪র্থ শ্রেণী- ১৫ জন ৫ম শ্রেণী- ১০ জন

১০০%

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নাম ও ক্যাটাগরী  দেয়া হলো:

ক্রমিক নংনাম           ক্যাটাগরী                                   পদ
01মো: রজ্জব আলীবিদ্যোৎসাহীসভাপতি
02জীবন কুমার সরকারজমিদাতাসহ: সভাপতি
03সুবোধ চন্দ্র সরকারমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সদস্যসদস্য
04মো: মোবারক হুসাইনইউপি সদস্যসদস্য
05ছালমা বেগমঅভিভাবক সদস্যসদস্য
06সুমী বেগমঅভিভাবক সদস্যসদস্য
07জিল্লুর রহমানঅভিভাবক সদস্যসদস্য
08শেখ ইন্তাজ উদ্দিনঅভিভাবক সদস্যসদস্য
09লিপি রানী সরকারবিদ্যোৎসাহী মহিলা সদস্যসদস্য
10ঊষা রানী সরকারশিক্ষক প্রতিনিধিসদস্য
11মো: তাহেজ উদ্দিনপ্রধান শিক্ষকসচিব

সনমোট পরীক্ষার্থীA+AA-BCDFপাশের হার
201011-44-1-282%
201114-6323--100%
201217-35232-100%
201310-4411--100%
201410        

১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত মোট শিক্ষা বৃত্তি প্রাপ্ত ৩৮ জন।

এই বিদ্যালয়ে এম.বি.বি.এস ডাক্তার ৪ জন, পল্লী ডাক্তার ২ জন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক 07 জন।

বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী বৃদ্ধিসহ তাদের জন্য টিফিনের ব্যবস্থা করা এবং স্থানীয় জনগনকে উদ্বুদ্ধ করার সক্রিয় প্রচেষ্টা নিতে হবে। এতে শিক্ষকদের সক্রিয় প্রচেষ্টা অব্যহত রাখতে হবে।

গ্রাম: দাসকান্দি বয়ড়া, ডাকঘর+উপজেলা: হরিরামপুর, জেলা: মানিকগঞ্জ। উপজেলা সদর হতে দক্ষিণে মাত্র 10 মিনিট পাঁয়ে হেটে যাতায়াত করা যায়।

1. মো: আওলাদ হোসেন

2. জসিম উদ্দিন

3. মো: মোস্তফা আহাম্মেদ

4. বঙ্কিম চন্দ্র মন্ডল

5. মো: শামীম মিয়া

6. আন্না রানী মন্ডল

7. কৃষ্ণা রায়

8. সুশীল রায়

9. নার্গিস আক্তার

10. ফরিদা আক্তার



Share with :

Facebook Twitter